• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ সোমবার | ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৮:০৭ অপরাহ্ন

Photo
লাইফ ফান্ড সম্পর্কে ধারণা

লাইফ ফান্ডের সবটা শেয়ারহোল্ডারের নয়: সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনেকেই ভুলে যান যে, জীবন বীমা কোম্পানির লাইফ ফান্ডের ৯০ শতাংশের মালিক কোম্পানির পলিসিহোল্ডাররা। বাকি মাত্র ১০ শতাংশের মালিক কোম্পানি বা শেয়ারহোল্ডাররা। একটি তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লাইফ ফান্ড যদি ৩০০ টাকা হয়, সেখানে শেয়ারহোল্ডারের অংশ (মালিক) বেশি হলে ৩০ টাকা। এটিকে মোটা দাগে জীবন বীমা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) বলা যায়।

এখন জীবন বীমা কোম্পানির এ কল্পিত এনএভিপিএসকে রেফারেন্স ধরে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের ভ্যালুয়েশনের একটি ভিত্তি দাঁড় করানো সম্ভব। তবে এটিকে আক্ষরিক অর্থে ভিত্তি ধরে নেয়াও পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত হবে না। কারণ এ তহবিলের গুণগত মান ও রেভিনিউ জেনারেট করার সক্ষমতাও বিবেচ্য বিষয়।

মোট দাগে লাইফ ফান্ডের আকার কত বাড়ছে বা কমছে, সেটি দেখার পরিবর্তে বিনিয়োগকারীদের দেখতে হবে, লাইফ ফান্ড গ্রোথের কতটা নতুন পলিসির প্রিমিয়াম থেকে আসছে, আর কতটা পুরনো সম্পদের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আসছে। নতুন পলিসির প্রিমিয়ামের অবদান বেশি হলে বুঝতে হবে কোম্পানিটির ব্যবসা প্রবৃদ্ধি ভালো। আর পুরনো তহবিলের প্রবৃদ্ধি কোম্পানির বিনিয়োগ দক্ষতার পরিমাপক মানে কোম্পানিটি দক্ষতার সাথে পোর্টফোলিও গঠন ও ম্যানেজ করছে।

একজন দক্ষ ব্যবস্থাপকের হাতে বিনিয়োগকারীর ৩০ টাকা থাকা আর অদক্ষ হাতে একই পরিমাণ টাকার পার্থক্য আছে। মূলত এর ওপর নির্ভর করবে কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৩০ টাকার উপরে থাকবে না নিচে থাকবে। প্রবৃদ্ধির ট্র্যাক রেকর্ড ও ব্যবসায়িক দক্ষতার বিষয়গুলোও ভ্যালুয়েশনের সময় যুক্ত হবে।


-- ব্লগার সাথী আক্তার এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
3 6 0 9 9
আজকের প্রিয় পাঠক
1 1 8 3 2 6 1 5
মোট পাঠক