• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ রবিবার | ১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ৩ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ১১:১৭ অপরাহ্ন

Photo
জীবন বীমায় অ্যাকচুয়ারিয়ালভ্যালুয়েশন কি ?

জীবন বীমা কোম্পানিগুলোকে  অ্যাকচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন করতে হয়। অর্থনৈতিক ও জনমিতিক বাস্তবতাকে মাথায় রেখে পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি প্রয়োগ করে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দায় নির্ধারণই অ্যাকচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন।

দেশে বর্তমানে মাত্র তিনজন সনদপ্রাপ্ত অ্যাকচুয়ারি আছেন। তারা হচ্ছেন— এম শেফাক আহমেদ, জীবন বীমা করপোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন ও প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর হালিম।

অ্যাকচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন মূলত জীবন বীমা কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি ও দায় মূল্যায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রডাক্ট ডিজাইন, লাইফ ফান্ড, গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারের মুনাফা ও লভ্যাংশ নিরূপণ করে থাকেন।   জীবন বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারের লভ্যাংশ প্রদানের পূর্বে অ্যাকচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন করাতে হয়। এই ভ্যালুয়েশনের মাধ্যমে কোম্পানি নিজেদের ব্যবসায়িক সবলতা ও দুর্বলতা নিরুপন করতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে ধরুন একটি জীবন বীমা কোম্পানি বিভিন্ন বয়সের ২০ হাজার মানুষকে জীবন বীমা সুবিধা দিয়ে ১০ বছরে ৮০০ কোটি টাকা প্রিমিয়াম আয় করল। এই ২০ হাজার মানুষই বীমা সুবিধার অধীনে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে না। আবার কতজন মারা যাবে তাও বলা যাবে না। এক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ও সম্ভাব্যতার গণিত কোম্পানিটিকে ভবিষ্যতে উদ্ভূত হতে পারে, এমন বীমা দাবির একটি সম্ভাব্য অংক নির্ধারণে সহায়তা করে।

অ্যাকচুয়ারি তাকে বলে দেন, বিশেষ কোনো পরিস্থিতি উদ্ভূত না হলে, লাইফ ফান্ডের এত শতাংশ কোম্পানির বীমা দাবি পরিশোধের জন্য বরাদ্দ রাখলেই চলবে। বাড়তি অর্থ কোম্পানি লভ্যাংশ আকারে শেয়ারহোল্ডারদের বা বোনাস আকারে প্রিমিয়ামদাতা পলিসিহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, বিশেষ পরিস্থিতিতে পরিসংখ্যানগত গড়ের চেয়ে বেশি বীমা দাবি পরিশোধ করার চাপ এলে বীমা কোম্পানি কী করবে? এর উত্তরেই আসে পুনর্বীমার ধারণা। পুনর্বীমার ধারণা পরিষ্কার বুঝতে হবে।


-- ব্লগার সাথী আক্তার এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
2 2 1 4 0
আজকের প্রিয় পাঠক
9 5 6 6 4 6 9
মোট পাঠক