• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ মঙ্গলবার | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৫ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

Photo
কৃষি বিমার প্রাথমিক ধারণা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পোকা ও রোগের আক্রমণে বিজ্ঞাপিত ফসলে কোনও একটি চাষ না করা গেলে বা ফসল নষ্ট হলে কৃষকদের বিমার সুবিধা ও আর্থিক সহায়তার সংস্থান রয়েছে রাষ্ট্রীয় ফসল বিমা কার্যক্রম বা ন্যাশনাল ক্রপ ইনসিওরেন্স প্রোগ্রামে। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্যই হল কৃষকদের প্রগতিশীল কৃষি পদ্ধতি, উচ্চমানের বীজ ও সারের ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে সড়গড় হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা এবং কৃষিজ আয় স্থিতিশীল করতে বিশেষ করে বিপর্যয়ের বছরগুলিতে সাহায্য করা। এগ্রিকালচার ইনসিওরেন্স কোম্পানি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড ছাড়াও কৃষি ও সমবায় দফতরের নির্ধারিত তালিকা থেকে রূপায়ণকারী রাজ্যগুলি এই কার্যক্রম রূপায়ণ করতে পছন্দমাফিক উপযুক্ত পরিকাঠামো ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বেসরকারি বিমা সংস্থাকে অনুমতি দিতে পারে।

খাদ্যশস্য, তৈলবীজ এবং বার্ষিক বাণিজ্যিক বা উদ্যান সংক্রান্ত শস্য রাষ্ট্রীয় বিমা কার্যক্রমের অধীনে আছে। যে কৃষকেরা ঋণ নিয়েছেন তাদেরকে বাধ্যতামূলক অংশের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং যে কৃষকেরা ঋণ নেননি তাঁদের স্বেচ্ছামূলক অংশের আওতায় রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল ক্রপ ইনসিওরেন্স প্রোগ্রামের সর্বাঙ্গীন অংশ হিসেবে সারা দেশে সংশোধিত রাষ্ট্রীয় কৃষি বিমা স্কিম বা মডিফায়েড ন্যাশনাল এগ্রিকালচার ইনসিওরেন্স স্কিম রূপায়িত করার কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজ্ঞাপিত ফসল উৎপাদনকারী ভাগচাষি সহ সব ধরনের কৃষকরা এই বিমার আওতায় আসবে।

চাষের ক্ষেত্রে বীজ বপন থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত কৃষকদের স্বাভাবিক ঝুঁকি বিমা প্রদান করা হয়। দাবানল, বজ্রপাত, ঝড়, শিলাবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, প্লাবন, খরা, শুষ্ক মরশুম, রোগ পোকার ক্ষতি প্রভৃতি নানারকম ঝুঁকির জন্য ফসলের ক্ষতি হলে কৃষকরা এই বিমার আওতায় আসবেন। অনেক সময় দেখা যায় কোনও একটি অঞ্চলে বৃষ্টির অভাবে অথবা মরশুমি আবহাওয়ার বিরূপতার কারণে কৃষক চাষ করতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে বিমাকৃত কৃষক, যাঁর পুরোদমে চাষের ইচ্ছা রয়েছে এবং তার জন্য কিছু খরচও করেছেন অথচ রোপণ বপনে ব্যর্থ হয়েছেন, তিনি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ক্ষেত্রে বিমাকৃত রাশির সর্বাধিক ২৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়া হয়। বিভিন্ন ধরনের শস্যের ক্ষেত্রে কী ধরনের অর্থ দেওয়া হবে তা রূপায়ণকারী সংস্থাকে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে স্থির করতে হয়। ফসল কাটার পরও কিছু ক্ষেত্রে বিমার সুযোগ থাকে। যুদ্ধ বা পরমাণু ঝুঁকির মতো ক্ষেত্রে কৃষক বিমার আওতায় আসবেন।


-- ব্লগার মোঃ মাসুদ রানা এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 4 4 9
আজকের প্রিয় পাঠক
3 6 1 3 4 2 4 4
মোট পাঠক