• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ বৃহস্পতিবার | ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

Photo
সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবীমা জরুরি

অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ : রহিম মিয়া সাধারণ কৃষক, গ্রামের জমিতে দিনান্ত পরিশ্রম করে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনো রকমে দিনাতিপাত করেন। হঠাৎ একদিন ডান পায়ের তলায় ক্ষত লক্ষ্য করলেন। প্রথমে গ্রাম্য টোটকা চিকিৎসা নিলেন। পরে তীব্রতা বাড়লে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, পায়ের ক্ষতটি আসলে ক্যান্সার, পা কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। অবশেষে শেষ সম্বল জমিটুকু বন্ধক রেখে এবং ধারদেনা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা হলো। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরানো’ একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি যেমন প্রতিবন্ধী হলেন, তেমনি চিকিৎসার ব্যয় জোগাতে গিয়ে পরিবারটি পথে বসে গেল।

মফস্বলে দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে আবু রায়হানের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার। বীমা কোম্পানির সামান্য চাকরিতে যা পান, কোনো রকমে সংসার চলে যায়। ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তায় একটি জীবনবীমাও করেছেন। একদিন অফিসে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। হাসপাতালে নিলে তার হার্টের ব্লক ধরা পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে ওপেন হার্ট সার্জারি করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে খরচ কয়েক লাখ টাকা। ছাপোষা রায়হান সাহেব এত টাকা কোথায় পাবেন? অবশেষে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে চিকিৎসা করে জীবন বাঁচালেন। বিপদ কেটে গেল বটে, হাসপাতালের বেডে শুয়ে তার ভাবনা- কী করে ঋণ শোধ আর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যয় মেটানো হবে।

রেখা মেডিকেলের শেষ বর্ষের ছাত্রী। দিনরাত পড়াশোনা করছে, হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগী দেখছে, বড় ডাক্তার হবে। হঠাৎ করে এই প্রাণোচ্ছল মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। রক্ত পরীক্ষায় জানা যায় ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকিমিয়া। বাবা-মায়ের সীমিত আর্থিক সামর্থ্য শেষ হয়ে গেল নিমেষেই। বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন ছাড়া বিকল্প নেই, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এই বিপদের দিনে এগিয়ে এলেন অনেকেই, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্তৃপক্ষের সাহায্যের পর যা সংগৃহীত হলো, তা দিয়ে চিকিৎসা ব্যয় সংকুলান সম্ভব নয়। বন্ধু-বান্ধবরা শেষ পর্যন্ত অ্যাপ্রোন পরে বড় বড় শপিং মল, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাক্স হাতে মানুষের কাছ থেকে সাহায্য সংগ্রহে ব্রতী হলো।

ছদ্মনামে তিনটি ঘটনাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সীমিত আয়ের লোকজন চিকিৎসার জন্য নিজেরা আলাদা করে কোনো টাকা বরাদ্দ রাখে না। ফলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হয় বা দৈন্যদশায় পড়তে হয়। অথচ এ অবস্থায় পড়তে হতো না যদি তাদের স্বাস্থ্যবীমা থাকত বা সরকারিভাবে তাদের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় রাখা যেত।

দেশের অসংখ্য মানুষ সাধ্যের বাইরে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে এমন অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছেন হরহামেশা। আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার চিত্র এমনই। জটিল কোনো রোগে আক্রান্ত হলে, যেমন- ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি বিকল বা দুর্ঘটনায় অঙ্গহানি হলে অসচ্ছলদের পক্ষে টাকার অভাবে চিকিৎসা নেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি ঋণ করে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিলেও রোগ নিরাময় হবে কি-না তার কোনো গ্যারান্টি নেই, কিন্তু চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে পরিবারটি যে পথে বসবে বা আর্থিক দৈন্যে পড়বে, তা শতভাগ বলা যায়।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন করতে হলে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের কোনো মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী চিকিৎসা করাতে গিয়ে যেন আরও দরিদ্র বা নিঃস্ব না হয়ে পড়ে, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবীমা কার্যকর করা জরুরি। স্বাস্থ্যবীমা করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে ব্যক্তির চিকিৎসা খরচ মেটানো। স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ব্যয়ের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, একজন বীমাকারী বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যবীমা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন- মাসিক প্রিমিয়াম অথবা পে-রোল ট্যাক্স, যা বীমার চুক্তি অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ জোগাবে। যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব খরচ, প্রতিবন্ধিত্ব অথবা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ প্রদান ইত্যাদি।

মার্কিন যুক্তরাষ্রেদ্ব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মূলত বেসরকারি স্বাস্থ্যবীমার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যা অধিকাংশ আমেরিকানের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির মূল উৎস। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এন এইচ এস) একটি সরকারিভাবে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যেখানে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী সবাই স্বাভাবিকভাবেই এ স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এরই মধ্যে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবীমা চালু করেছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বীমা ‘যোজনা’। প্রকল্পটি দরিদ্র মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছা আর আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধার মেলবন্ধনের কারণে। অন্য স্বাস্থ্যবীমায় যার নামে বীমা করা থাকে, তাকে প্রিমিয়াম দেওয়ার কথা, কিন্তু সরকার এই বীমায় সেই প্রিমিয়াম দিয়ে দেয়। গরিব মানুষ বিনামূল্যে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা অবধি অনেক চিকিৎসা সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই পেতে পারেন। ৩০ টাকার বিনিময়ে হতদরিদ্র মানুষ পেতে পারেন তাদের পরিবারের সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা। একটি স্মার্ট কার্ড নিয়ে গেলেই হাসপাতালে এক পরিবারের পাঁচ সদস্য এক বছরে পান ৩০ হাজার টাকার চিকিৎসাসেবা। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের জন্য চালু হওয়া ওই বীমায় ছয় বছরের মধ্যে ৩ কোটি ৬০ লাখ পরিবার যুক্ত হয়েছে। টাকা-পয়সা থাকলেও অজ্ঞতার কারণে অনেকে বীমা করাতে চাইতেন না। কিন্তু একটা ছোট্ট স্মার্ট কার্ডে যাবতীয় তথ্য রাখার ব্যবস্থা করে সেই ঝামেলা দূর করেছে এই বীমা। পিছিয়ে নেই অপর পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালও, সেখানেও চালু হয়েছে সার্বজনীন স্বাস্থ্যবীমা প্রকল্প।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টের তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে বছরে ৬৪ লাখ মানুষ গরিব থেকে আরও গরিব হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১৫ শতাংশ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ছে। কারণ বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৬৭ শতাংশ নিজের পকেট থেকেই ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে মানুষ স্বাস্থ্য ব্যয় মেটাতে গিয়ে দিন দিন আরও গরিব হয়ে পড়ছে। দ্রুত স্বাস্থ্য খাত বীমার আওতায় আনতে না পারলে ব্যক্তিগত ব্যয় আরও বাড়তেই থাকবে।

দেখা যায় ‘জীবনবীমা’ সম্পর্কে আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও আগ্রহ থাকলেও, ‘স্বাস্থ্যবীমা’ শব্দটি সাধারণ মানুষের কাছে প্রায় অপরিচিতই। স্বাস্থ্য অর্থ ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১ শতাংশেরও কম মানুষ স্বাস্থ্যবীমার আওতায় এসেছে। কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, করপোরেট হাউস ও বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু রাখলেও এসব বীমায় সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে পারছে না। এ ছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আসার প্রবণতা নেই বললেই চলে। তবে আশার কথা, বিগত কয়েক বছরে বিদেশি অর্থায়নে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি নামে দেশের হতদরিদ্র মানুষের জন্য হেলথ কার্ড দেওয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরীক্ষামূলকভাবে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলার হতদরিদ্র এক লাখ মানুষের মধ্যে এ কার্ড বিতরণের কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এতে প্রত্যেক পরিবারের জন্য বছরে ১ হাজার টাকার প্রিমিয়াম দেওয়া হবে। কার্ডধারীরা ৫০টি রোগের সেবা পাবেন উপজেলা ও জেলা হাসপাতাল থেকে।

আমাদের দেশের বাস্তবতায় দেখা যাবে, কেউ চাইলেই এত সহজে সব মানুষকে কিন্তু বীমার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। এ অবস্থায় আমাদের প্রথমে উচ্চবিত্ত থেকে ক্রমান্বয়ে মধ্যবিত্তদের আগে বীমার আওতায় আনতে হবে। আয়ের অনুপাতে এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী বীমার প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর দরিদ্র জনগোষ্ঠীকেও বীমার আওতায় আনতে হবে, তবে তা হতে হবে খুবই স্বল্পমূল্যে বা সম্ভব হলে বিনামূল্যে। অর্থাৎ দরিদ্র জনগোষ্ঠী বীমার আওতায় থাকবে, কিন্তু তার প্রিমিয়াম সরকারিভাবে দেওয়া যেতে পারে। এখানে আরও একটা বিষয় নিশ্চিত করতে হবে, যেন গতানুগতিক বীমার মতো সেবা পেতে দেরি না হয়। তাহলে মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। কারণ স্বাস্থ্য বিষয়টি সবসময়ই স্পর্শকাতর, তাই যে মানুষটি বিপদের শঙ্কায় বছরব্যাপী বীমার প্রিমিয়াম জমা দিল, তাকে তার প্রয়োজনের সময় যত দ্রুত সম্ভব প্রাপ্যটা সরবরাহ করার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো প্রকার হয়রানি যেন না হয়, সে ব্যাপারে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে এটিএম কার্ডের মতো কিংবা অন্য কোনো ডিজিটাল ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। আর সেই কার্ডগুলো গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে শুধু নির্ধারিত হাসপাতাল এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে। বীমার সেবা বা খরচের হিসাবকে সুষ্ঠু করতে সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে বীমা গ্রহণের এবং সেবা প্রদানের জন্য নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনা যেতে পারে। এমনকি বীমা ব্যবহারকারীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী সাধারণ প্যাকেজভিত্তিক সেবা চালু করা যেতে পারে। অর্থাৎ বীমা ব্যবহার করলে সে নির্ধারিত হাসপাতালগুলো থেকে নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসা একটি নির্দিষ্ট খরচে পাবে। ফলে বীমার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা পাওয়া যেমন সহজতর হবে, তেমনি চিকিৎসা খরচ এবং বীমার অর্থ ব্যয়ের জটিলতাও থাকবে না।

স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আরও একটা বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন, আসলেই যারা গরিব তারাই যেন ফ্রি বা স্বল্পমূল্যের সুবিধা পান। যদিও বিত্তবানরা অবশ্যই চিকিৎসাসেবা পাবেন, তবে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ যেন বীমা বা চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে হঠাৎ দরিদ্র না হয়ে যান! আবার বিত্তবানরা স্বপ্রণোদিত হয়ে যেন বীমার আওতায় চলে আসেন। কারণ এখানে তিনি শুধু নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বীমা করছেন না, বরং তিনি পরোক্ষভাবে অন্য আরেকজনের চিকিৎসাসেবায় সহায়তা করে দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখছেন, পরোপকারের মহান ব্রত নিয়ে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় দরিদ্র এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের সংখ্যাও কম নয়। দরিদ্র জনগণের সব রকমের চিকিৎসা ব্যয় মেটানো এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। তবে স্বাস্থ্যবীমা করা থাকলে এই চ্যালেঞ্জ শতভাগ না হলেও অনেকটা মেটানো সম্ভব। কিন্তু এ কথা সত্য যে আমাদের দেশে স্বাস্থ্যবীমা চালু করা অত্যন্ত কঠিন এবং এর বাস্তবায়ন আরও কঠিন। তবে সরকার যদি এটিকে বাধ্যতামূলক করে, তাহলে কাজটি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। সর্বোপরি স্বাস্থ্যবীমা করা থাকলে রোগীদের, বিশেষ করে হতদরিদ্র বা সহায়-সম্বলহীনদের উন্নত ও জরুরি চিকিৎসা দেওয়া যেমন সম্ভব হবে, তেমনি আর্থিক দৈন্যের কারণে তাদের চিকিৎসা প্রাপ্তিও ব্যাহত হবে না। তবেই সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে, যার মূল লক্ষ্য- সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং এ খাতে ব্যক্তিগত ব্যয় শূন্যের কোঠায় কমিয়ে আনা।

ডিন, মেডিসিন অনুষদ, অধ্যাপক. মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা



ব্লগটির ক্যাটাগরিঃ পাঠক কলাম , বীমা সচেতনতা

-- ব্লগার Rajib Khan এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 1 0 3 4
আজকের প্রিয় পাঠক
1 0 5 6 9 8 6 1
মোট পাঠক