• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ শুক্রবার | ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ১১:২১ অপরাহ্ন

Photo
গতানুগতিক বীমার রূপরেখা

বীমার প্রচলন প্রাচীন কালে শুরু হলেও এর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয় ১৭৭১ সালে নৌ-বীমার দায়গ্রহণের জন্য ‘Association of Liyod’s Underwriter’  নামে একটি বীমা সমিতি গঠনের মধ্য দিয়ে। ১৭৭৯ সালে বীমাপত্রের গঠনপ্রণালী নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটিকে কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এটাই পৃথিবীর সর্বপ্রথম বীমা কোম্পানি। আর উপমহাদেশে বীমা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৮ সালে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পূর্বেও কিছু বীমা কোম্পানি সক্রিয় থাকলেও মূলত বাঙালী মালিকদের নিয়ন্ত্রণে বীমা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা পায় স্বাধীনতার পরই। নৌ-বীমা থেকে পরবর্তীতে প্রবর্তিত হয় অগ্নি বীমা, জীবন বীমা, দুর্ঘটনা বীমা, স্বাস্থ্য বীমা ও অন্যান্য সামাজিক বীমা। বীমার সকল প্রকারকে মোটামুটি তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।

১. ব্যক্তিগত বীমা : এর অধীনে জীবন বীমা, ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমা ও স্বাস্থ্য বীমা।

২. সম্পত্তি বীমা : এর অধীনে নৌ-বীমা, অগ্নিবীমা, যানবাহন বীমা, গবাদিপশু বীমা, শস্য বীমা, কলকব্জা বীমা ও চৌর্য বীমা।

৩. দায় বীমা : এর অধীনে তৃতীয় পক্ষ বীমা, কর্মচারী বীমা, মোটর বীমা ও পুনর্বীমা।


-- ব্লগার মন্জুর আলী শাহ্ এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
8 6 8 5 9
আজকের প্রিয় পাঠক
1 4 0 7 5 4 1 5
মোট পাঠক