• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ সোমবার | ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

Photo
বীমা পেশার আকর্ষণীয় দিক সমূহ

চাকরির বাজারে যখন হাহাকার অবস্থা, ঘুষ ছাড়া যেখানে মেধা মূল্যহীন হয়ে পড়ে, সেখানে বীমা খাতই একমাত্র ভরসার জায়গা যেখানে রয়েছে কর্মসংস্থানের অফুরন্ত সম্ভাবনা এবং এই সম্ভাবনার সুযোগ নিতে যেখানে কোন ঘুষ দিতে হয় না। বীমা পেশা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন ও মহৎ পেশা এবং এখানে রয়েছে সমাজসেবা করার, মানুষকে আর্থিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা এবং তাদের বিপদের সময় পাশে থেকে সাহায্য করার সুযোগের পাশাপাশি অল্প সময়ে দ্রুত পদোন্নতি ও সাফল্যের সম্ভাবনা।

এখানে এ পেশার আকর্ষণীয় দিকগুলো তুলে ধরা হলো 

সমাজ সেবা: একজন ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট শুধু বিমা প্রোডাক্টই বিক্রি করেন না; তিনি গ্রাহকদের আর্থিক পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, তাদেরকে দূরদর্শী হতে এবং পরিবার ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে সচেতন হতে এবং সঠিক প্রোডাক্ট কিনতে ও বিমা পলিসি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়ার জন্য সঠিক সেবা প্রদান করেন। প্রয়োজনের সময়ে সঠিক বীমা পলিসির পরামর্শ প্রদান করে অ্যাসোসিয়েটরা গ্রাহকদের জীবনে আর্থিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেয়ার পাশাপাশি তাদের জীবনে নির্ভরতার একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন।

সীমাহীন আয়ের সুযোগ: লাইফ ইন্স্যুরেন্সে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কোনো নির্ধারিত বেতন না থাকলেও আছে অফুরন্ত উপার্জনের সুযোগ। কারন এই ভুমিকায় আয়ের মাধ্যম হল পারফর্মেন্স নির্ভর কমিশন। আর কমিশন নির্ভর করে বিক্রয় করা বীমা পলিসির মেয়াদকাল, সুবিধা, ধরণ ও শর্তাবলীর উপর।

চলমান ও দীর্ঘমেয়াদী আয়: বীমা পলিসির ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী একজন ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট ২৭ বছর পর্যন্ত নবায়নকৃত পলিসি থেকে কমিশন পেতে পারেন। একজন অ্যাসসিয়েট যদি কোম্পানি ছেড়েও দেন তবুও তিনি তার ইস্যুকৃত পলিসির উপর এই কমিশন পেতে থাকবেন।

ক্যারিয়ারে দ্রুত উন্নতি: তরুণ মেধাবীদের ক্যারিয়ারে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে বীমা কোম্পানি সহায়তা করে থাকে। আপনি মাত্র ৫ বছরের মধ্যেই ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট পদ থেকে ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পেতে পারেন। আর, ইউনিট ম্যানেজার থেকে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন মাত্র ৩ বছরের মধ্যেই। একজন অ্যাসোসিয়েটকে ভবিষ্যত নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের জন্য গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা রয়েছে।

নিজস্ব কর্মঘণ্টা নির্ধারণের স্বাধীনতা: একজন অ্যাসোসিয়েটের পূর্ণ স্বাধীনতা আছে নিজের কাজের সময় নির্ধারণ করার যা অ্যাসোসিয়েটদের নিজেদের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এখানে অন্যান্য পেশাজীবীদের মত প্রতিটি কাজের জন্য পুরোপুরি অফিস ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভর করে থাকতে হয় না। শুধুমাত্র এজেন্সি অফিসের আয়োজিত মিটিংগুলোতে অ্যাসোসিয়েটদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, কারণ এগুলো কর্মীদের নিজেদের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।



ব্লগটির ক্যাটাগরিঃ ক্যারিয়ার টিপস

-- ব্লগার সাথী আক্তার এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
5 5 8
আজকের প্রিয় পাঠক
1 5 3 9 9 0 9 9
মোট পাঠক