• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ মঙ্গলবার | ২১ জানুয়ারী, ২০২০ | ৮ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

Photo
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী বীমার প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অশিক্ষিত। অর্ধশিক্ষিত বা শিক্ষিতদের মধ্যে বেকার সংখ্যা তিন ভাগের এক ভাগ তথা ছয় কোটি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরির্বতন, বন্যা, নদীভাঙ্গন, খড়া, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, দুর্ঘটনা, অকালমৃত্যু ইত্যাদি সমস্যা আমাদেরকে হতাশার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় দেশের এক শ্রেণীর শিক্ষিত বেকার যুবকেরা  উপার্জনের জন্য অবৈধ্য পন্থায় সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে মৃত্যু বরণ করছে এ সংখ্যাও কম নয়। এমতাবস্থায় অনাগত ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য এক নতুন বারতা নিয়ে এসেছে তাকাফুল যা শুধু মুসলমানদেরই নয় অমুসলিমদের জন্যও আশীর্বাদ। মোট কথা ইসলামী বীমা তাকাফুল আর্তমানবতা জন্য খিদমতে খাল্ক স্বরূপ। সেজন্য ইসলামী বীমা শিল্প বিশ্বের দরবারে ইসলামী অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাইলফলক ও যুগান্তকারী মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়ে গেছে।

সার্বজনীন আধুনিক ইসলামী অর্থনীতির লক্ষ হচ্ছে মানুষের ন্যূনতম প্রয়োজন পূরণে শতকরা ১০০% নিশ্চয়তা বিধান  করে সুবিচার প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য নিরসন, নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখা । আমরা জানি পৃথিবীর জীবন ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য অঙ্গ অর্থ ব্যবস্থা। মানুষের জীবদ্দশায় যে সমস্ত ঝুঁকি ও প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় তার বেশির ভাগই অর্থের সাথে সম্পৃক্ত। ইসলামী অর্থনীতি ভিত মজবুত না করে কোন ক্রমেই সামগ্রিক কর্মকা- সুচারুভাবে পরিচালিত হতে পারে না। এক্ষেত্রে অন্যতম আধুনিক পদ্ধতি হলো তাকাফুল। ইসলামী  বীমা ব্যবস্থা আজ একটি বাস্তব সত্য এটি দেশে দেশে বেশ জনপ্রিয়তা ও নিরাময়ক হিসাবে সমাদৃত হচ্ছে।
দুঃখ-দারিদ্র্য, অভাব-অনটন, বিপদ-আপদ, অসুখ-বিসুখ, প্রকৃতিক দুর্যোগ, পরিবারের সদস্যদের আর্থিক  জোগান এমনকি নিজেরই মৃত্যু হতে পারে। এটি নিত্যদিনের ঝুঁকি, ভোগবাদিতা, লোভ, সামাজিক অবক্ষয়, রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা, পেশী শক্তির নিপীড়ন, নির্মমতা, অসমপ্রতিযোগিতা, আদর্শিকদ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, আস্থাহীন তা, বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-, প্রহসন,অবিচার, অনাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার, শোষণ, বঞ্চনা, বৈষম্য, নৈরাজ্য, প্রযুক্তির নোংরা ব্যবহারম, অপসংস্কৃতি, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, লুণ্ঠন, ঘাত-প্রতিঘাত, অপহরণ, মুক্তিপণ, হাইজাক, চুরি, ডাকাতি, যৌতুক, মাদ্ক, বিবেকবর্জিত কর্মকাণ্ড, অমানবিক অত্যাচার, ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, কৃত্রিমতা, লৌকিকতা, অশিক্ষা ইত্যাদি চলমান কর্মকা- মূলত জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বৈষ্ণিক বিষয়। এসব ঝুঁকি  থেকে বাঁচার জন্য আমাদের এখন থেকে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এটি সম্ভব শুধু মাত্র সঞ্চয় মনোভাব ও তাকাফুলের মাধ্যমে।

লেখক: ডা. মিজানুর রহমান


-- ব্লগার M. Mahbubur Rahman এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 0 1 0 7
আজকের প্রিয় পাঠক
1 7 4 9 3 3 7 2
মোট পাঠক