• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ সোমবার | ৩০ মার্চ, ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ১০:০২ পূর্বাহ্ন

Photo
বিমার মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশের সব মানুষকে সচেতন করে বিমাকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘জাতীয় বিমা দিবস’। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত বিমা মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘বিমা দিবসে শপথ করি, উন্নত দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে রোববার (০১ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিমা দিবস ২০২০ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমা দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

এরপর সম্মেলন কেন্দ্রে বিশিষ্ট পাঁচ বিমা ব্যক্তিত্বদের সম্মাননা প্রদান, বিমা মেলার স্টল পরিদর্শন, প্রামাণ্যচিত্র দর্শনসহ আইডিআরএ’র দু’টি সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

বিমা দিবসের প্রস্তুতি স্বরুপ শনিবার রাজধানীতে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড, স্টিকার এবং ফ্যাস্টুনের মাধ্যমে র‌্যালি করে আইডিআরএ। আর রোববার বিকেলে দেশের সকল জেলা উপজেলা পর্যায়ে বিমা দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

প্র‌যুক্তি নির্ভর অটোমেশন পদ্ধতির মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিমা কার্যক্রমকে একেবারে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা এই বিমাটাকে আরও মানুষের কাছে নিয়ে যান। বিমাকে জনগণের দোরগোড়ায় অর্থাৎ গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করছি। শিক্ষাবিমা, শস্যবিমা, স্বাস্থ্যবিমা, গার্মেন্টস শ্রমিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিমা করা যেতে পারে।

বিমা সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বিমা সম্পর্কে সচেতনতা খুবই কম। বিমার মাধ্যমে দুঃসময়ে গরিব মানুষগুলো বিরাট সুফল পেতে পারে। আবার এই বিমার মাধ্যমে কিন্তু বহু মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে।

বিমা সেক্টরের অতীত অবস্থার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ছোটবেলায় শুনতাম যে কি চাকরি করে, ওই অমুক বিমা কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে চাকরি করে। কারণ বিমা এনে দিলেই তারা একটা টাকা পেত। এটা একটা ভালো অর্থ উপার্জনের পথ ছিল। কিন্তু এখন সেই জিনিসটা একটু কম। আমি মনে করি এটা আবার ফিরে আসা উচিত।

বিমা সেক্টরকে প্রযুক্তি নির্ভর করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমার দাবি নিষ্পত্তি থেকে শুরু করে বিমা সেবা আরো সহজীকরণ করবার জন্য আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করা একান্তভাবে অপরিহার্য। এটা করলে পরে দুর্নীতি দূর হবে,মানুষ উপকার পাবে।

তিনি বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে বিমা সেক্টরের অনেক সমস্যাও সমাধান হবে। কেউ আর ফাঁকি দিতে পারবে না। বিমার গ্রাহক যারা তাদেরও আস্থা বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ করতেন সে কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমা শিল্পের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আইডিআর অনুরোধে ১ মার্চকে ‘জাতীয় বিমা দিবস’ ঘোষণা করে সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি মেলারও আয়োজন করা হয়।


-- ব্লগার Admin Post এর অন্যান্য পোস্টঃ --
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 0 8 3 6
আজকের প্রিয় পাঠক
2 0 9 2 1 1 3 9
মোট পাঠক