• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ সোমবার | ৩০ মার্চ, ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন

Photo
বীমাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী

বীমার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বীমা করতে সাধারণ মানুষ যেন আগ্রহী হয় সেই তাগিদ দেন তিনি। রোববার ঢাকায় জাতীয় বীমা দিবসের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই তাগিদ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

অনুষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দাবি নিষ্পত্তিসহ বীমা সব ক্ষেত্রে যেন উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় সেই আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া বীমা কোম্পানির মাধ্যমে আরও যেন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা যায় সেই তাগিদও দেন।

বীমার টাকা গ্রাহক যেন ঠিকভাবে পায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান। পরামর্শ দেন বীমার দাবি তদন্তে দক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সে হিসেবে আমরা বীমা পরিবারের একজন সদস্য। যেহেতু পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতি করতে দিতেন না, সে কারণে তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে ইন্স্যুরেন্স কন্ট্রোলার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি প্রচারণা চালাতে সারাদেশব্যাপী তাকে ঘুরতে হয়। সে সুবাদে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বীমার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন বলেই এ বিষয়ে তিনি ১৯৭৩ সালে আইন প্রণয়ন করেছিলেন। এছাড়া তিনি ইন্স্যুরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, বীমার মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে। বীমা একাডেমিতে লেখাপড়া করে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি হতে পারে। বীমার প্রসারের জন্য আমরা যুগোপযোগী আইন করেছি। আমরা ‘বীমা আইন ২০১০’, ‘বীমা উন্নয়ন আইন ২০১০’ ও ‘বীমা নীতিমালা ২০১৪’ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমাকে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় অর্থাৎ গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করছি। শিক্ষাবীমা, শস্যবীমা, স্বাস্থ্যবীমা, গার্মেন্টস শ্রমিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বীমা করা যেতে পারে। যে বীমার মাধ্যমে দুঃসময়ে গরিব মানুষগুলো বিরাট সাফল্য পাবে।

‘বীমা দিবসে শপথ করি, উন্নত দেশ গড়ি’-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় বীমা দিবস।

বীমাশিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দিবসটি পালন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বীমা দিবসের উদ্বোধন করেন। পাঁচজন বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্বকে বিশেষ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বীমা খাতে যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে গত ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআর) অনুরোধে ১ মার্চকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ ঘোষণা করেছে সরকার।


-- ব্লগার মন্জুর আলী শাহ্ এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 0 4 1 3
আজকের প্রিয় পাঠক
2 0 9 2 0 7 1 6
মোট পাঠক