• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ মঙ্গলবার | ০৭ জুলাই, ২০২০ | ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৯:২২ অপরাহ্ন

Photo
বীমা গ্রাহকের মৃত্যু দাবী পেতে যা দাখিল করা আবশ্যক

সৈয়দ কাফি: একজন বীমা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করলে নমিনি কে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় নথিপত্র দাখিল করতে হয়। যা অনেক সাধারণ মানুষ মনে করেন এতসব কাগজ কি প্রয়োজন । বীমা গ্রাহক মারা গিয়েছে নমিনি যাকে করা আছে তাকে টাকা দিবেন। এই জন্য মানুষ বীমা করে না অন্য কোথাও হলে এত কাগজ পত্র চাইতেন না। সর্বোপরি বীমা গ্রাহক যে মৃত্যুবরণ করেছে এটা তো প্রমাণ করা দরকার তা-না বীমা কোম্পানি বুঝবে কি করে বীমা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করেছে।

প্রায় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান গুলোতে সাধারণ মৃত্যু দাবী পেতে বীমা পলিসির নির্ধারিত নমিনি কে

০১. বীমা দাবি পাওয়ার জন্য বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর নমিনি কর্তৃক আবেদন পত্র।

২. বয়স প্রমাণ পত্রঃ
বীমা গ্রাহক এবং নমিনির বয়স প্রমাণ । যেমন, জাতীয় পরিচয় পত্র,/ জম্ম নিবন্ধন সনদ/পাসপোর্ট কপি /ড্রাইভিং লাইসেন্স /এস.এস.সি সনদপত্র /কাবিননামা, অন্যান্য।

৩. মৃত্যু সনদপত্রঃ ক)ডাক্তার কর্তৃক সনদপত্র
খ) ইউপি চেয়ারম্যান /পৌরসভার মেয়র।

৪.যদি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ডাক্তার কর্তৃক চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজ পত্র এবং হাসপাতালের ছাড়পত্র।

৫. জানাজা নামাজের ইমামের বিবৃতি।

৬. গোরস্থান কমিটির সনদপত্র /দাহ এ-র সনদপত্র। যদি পারিবারিক গোরস্থানে দাফনকাজ হয়ে থাকে তাহলে সমাজ প্রধানের বিবৃতি।

৭. দুর্ঘটনা সংক্রান্ত কাগজপত্র (থানায় এজাহার, এফ.আই.আর.পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট।

৮.নমিনি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে নমিনির অভিভাবক এ-র বয়স প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

৯. মুল বীমা দলিল /পাশ বই এবং কোম্পানির ইস্যুকৃত কাগজ পত্র দাখিল করতে হবে।

১০। যারা বাংলাদেশী বিদেশে (প্রবাসী)ঃ বিদেশে (প্রবাসী) মৃত্যুবরণ করেন তাদের ক্ষেত্রে ঃ

ক) সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস প্রদত্ত সনদপত্র
খ) এয়ারওয়েজ বিলের কপি
গ) আকামার কপি,
ঘ) সে দেশের পুলিশ প্রশাসনের সনদপত্র
ঙ) সে দেশে কবরস্থ করা হলে তার প্রমাণ পত্র

উল্লেখ্য যে যারা বিদেশে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সাধারণত অডিট/ তদন্ত করা হয় না। উক্ত চাহিদা দাখিল সাপেক্ষে ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে দাবি নিষ্পত্তি করা হয়।

উল্লেখিত নথিপত্র নমিনি দাখিল পরে মৃত্যু দাবী প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমোদন হওয়ার পর মৃত্যু দাবী ভাউচার বা মৃত্যু দাবীর নির্বাহী রশিদ (ভাউচার) অফিসে প্রেরণ করা হয়।

পরবর্তীতে নমিনি কর্তৃক মৃত্যু দাবী নির্বাহী রশিদ (ভাউচার) স্বাক্ষর সহ নিজ নামে ব্যাংক হিসাবে টাকা /চেক প্রদান করা হয়ে থাকে।

কিছু বীমা কোম্পানি গ্রাহকদের সেবা সহজ করার লক্ষ্যে বিকল্প ভাবে মৃত্যু দাবী পরিশোধ করেন। যেমন বিকাশ, রকেট,এককথায় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।

সকল বীমা কোম্পানির উচিৎ বীমা গ্রাহকের মৃত্যু দাবী টাকা যেন দ্রুত পাই সেই লক্ষ্যে একযোগে কাজ করা। তারা অন্তত বলবে ব্যাংকের চেয়ে বীমা কোম্পানির সেবা কম বলা যায়না।

মানসম্মত গ্রাহক সেবায় মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং বদ্ধপরিকর।
মেঘনা লাইফ নির্ভরতার প্রতিক। ধন্যবাদ সবাইকে,ক্ষমাসুন্দর দেখবেন,

লেখক: Syeed Kafi
মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ(ইবীতা)
রাজশাহী রিজিওনাল ও সার্ভিসিং সেন্টার
রাজশাহী।

সদস্য: Insurance BD Group (বাংলাদেশ বীমা গোষ্ঠী)

 

[ আপনিও পারেন  “Insurance BD Group (বাংলাদেশ বীমা গোষ্ঠী)” এর একজন গর্বিত সদস্য হয়ে নিজের জ্ঞানচর্চা ও বীমা শিল্পের ইতিবাচক পরিবর্ত‍নে ভূমিকা রাখতে।  আগ্রহী ব্যক্তিগন Insurance BD Group (বাংলাদেশ বীমা গোষ্ঠী) এ যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করুন- https://www.facebook.com/groups/533586794169725/ ]


-- ব্লগার Insurance BD Group এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
2 2 5 0 0
আজকের প্রিয় পাঠক
2 4 3 3 6 8 0 1
মোট পাঠক