• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ মঙ্গলবার | ১৪ জুলাই, ২০২০ | ৩০ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৬:৫৭ অপরাহ্ন

Photo
সফলতার রহস্য কী?

লেখাটি আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার-এর একটি বক্তৃতা থেকে অনুবাদ করা। লোকজন সব সময় আমাকে জিজ্ঞাসা করে সফলতার রহস্য কী?

প্রথম নিয়ম হচ্ছে, “নিজের উপর আস্থা রাখ”। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তোমাকে আরও গভীরে ঢুকতে হবে এবং নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে তুমি “কে” হতে চাও? “কী” না কিন্তু “কে”? তোমার বাবা মা বা শিক্ষকরা কী চেয়েছেন তা বলছি না, তুমি নিজে “কে” হতে চাও এটার কথা বলছি। আমি বলছি, তুমি খুঁজে বের কর কী তোমাকে সুখী করে সেটা অন্যদের কাছে যতটাই পাগলামি মনে হোক না কেন। তাই প্রথম নিয়ম অবশ্যই নিজের উপর আস্থা রাখা, কে কিভাবে চিন্তা করল ওটা দেখার বিষয় না।

দ্বিতীয় নিয়ম হচ্ছে, “নিয়ম ভেঙ্গে ফেল ”। এই জীবনে আমাদের প্রত্যেকটা জিনিসের অনেক নিয়ম আছে। আমি বলছি নিয়ম ভাঙো কিন্তু আইন না। একজন ভবঘুরে বা সত্যিকারের মানুষ হওয়া অসম্ভব যদি না তুমি খুব ভাল স্বভাবের হও এবং নিয়ম ভাঙ্গতে না চাও। তোমাকে বাক্সের বাহিরের কথাও চিন্তা করতে হবে। এটাই আমি বিশ্বাস করি। সর্বোপরি এই পৃথিবীর সবকিছু অন্যের পছন্দ মত হবে এবং সব সমস্যার উর্ধে হবে এমনটা চিন্তা করা ঠিক না। কিন্তু নিয়ম ভাঙ্গাই হচ্ছে আমার একমাত্র পথ যার কারণে আমি কোথাও স্থান পেয়েছি।

তৃতীয় নিয়ম হচ্ছে, “পরাজিত হতে ভয় পেওনা”। আমি এখন পর্যন্ত যা’ই করেছি আমি সব সময় চাইতাম আমি যেন পরাজিত হই। তুমি সব সময় জয়ী হতে পারবে না কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পেও না। তুমি পরাজয়ের ভয়ে অক্ষম হয়ে যেও না। তুমি নিজের মধ্যে তাড়া অনুভব করবে কারণ তুমি নিজেকে বিশ্বাস করো, তোমার দর্শনকে বিশ্বাস করো এবং তুমি জানো এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত আর এভাবেই সফলতা আসবেই। কাজেই পরাজিত হতে ভয় পেও না।

চতুর্থ নিয়ম হচ্ছে, “নেতিবাচক মানুষদের কথায় কান না দেয়া”। তুমি কতবার শুনেছ যে, তুমি এটা পারবে না, তুমি ওটা পারবে না, এটা এর আগে কেউ কোনদিন করেনি? আমি এটা ভালবাসি যখন যখন কেউ বলে যে, এই কাজটা এর আগে কেউ করতে পারেনি কারণ, যখন আমি এটা করি এবং এটার মানে হচ্ছে, আমিই প্রথম যে এটা করেছে। কাজেই ঐসব লোকের কথায় কান দিবে না যারা বলে, এই কাজ কখনো হবে না। আমি সবসময়ই আমার নিজের কথা শুনি আমি বলি, “হ্যাঁ, তুমি পারবে “।

পঞ্চম নিয়ম হচ্ছে, “অক্লান্ত পরিশ্রম করা”, এবং এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। আমি প্রত্যেক সম্ভাব্য পথে কাজ করার পক্ষপাতি। মোহাম্মাদ আলি, আমার মহান বীরদের মধ্যে একজন, যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল “আপনি কতগুলো সিট-আপ দেন?” তখন তিনি বলেছেন, “আমি আমার সিট-আপ গণনা করি না। আমি তখনই এটা গণনা করি যখন আমি ব্যথা পেতে শুরু করি। যখন আমি ব্যথা অনুভব করি তখন আমি গণনা শুরু করি কারণ তখনই সত্যিকারের গণনা করার সময়, এবং এটাই তোমাকে চ্যাম্পিয়ন করে দিবে। ” কথায় আছে “কষ্ট ছাড়া মিষ্ট লাভ হয় না”। তুমি বলতে পারো জীবনে হাসি-ঠাট্টারও দরকার আছে। কিন্তু তুমি যখন পার্টিতে আনন্দ ফুর্তি করবে তখন একই সময়ে অন্য কেউ কঠোর পরিশ্রম করবে, অন্য কেউ আরও সুদর্শন হবে এবং অন্য কেউ জয়ী হবে। কাজেই কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কোন বিকল্প পথ নাই।

ষষ্ঠ নিয়ম হচ্ছে, “কিছু ফিরিয়ে দেয়া”। তুমি যা কিছুই অর্জন করো না কেন, তোমাকে কিছু ফিরিয়ে দিতে হবে, তোমার কমিউনিটি জন্য, তোমার এলাকার জন্য, তোমার দেশের জন্য। তুমি যা কিছু করো না কেন, মানুষকে সাহায্য করে যে পরিমাণ আনন্দ পাবে, অন্য কোন কিছুতে এত আনন্দ পাবে না।

এই ছয় নিয়ম মনে রেখো।

সংগৃহিত



ব্লগটির ক্যাটাগরিঃ মোটিভেশন

-- ব্লগার Wahiduzzaman Wahid এর অন্যান্য পোস্টঃ --

আপনার পছন্দের তালিকায় আরও থাকতে পারেঃ

আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 9 9 7 1
আজকের প্রিয় পাঠক
2 4 5 6 5 5 0 9
মোট পাঠক