• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ বৃহস্পতিবার | ২২ অক্টোবর, ২০২০ | ৭ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের বীমা শিল্পে অতীত ও বর্তমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাংলাদেশে বীমা শিল্পের সূত্রপাত স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭৩ সালে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা করপোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বীমা করপোরেশন আইন (ষষ্ঠ) অনুসরণে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এ দুটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৪ সালে সরকার প্রথমবারের মতো ব্যক্তি খাতকে বীমার সব ক্ষেত্রে ব্যবসার অনুমতি দেয়। এখন বীমা বাজার ৭৯টি কোম্পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি (সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা করপোরেশন) আর ব্যক্তি খাতে ৪৬টি সাধারণ ও ৩৩টি জীবন বীমা রয়েছে।

বর্তমানে এ খাতে অনেক দক্ষ ও মেধাবীরা আসছেন। একই সঙ্গে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে ফিনটেক, ইন্স্যুরেন্সটেক ও এমএফএস (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস), অনলাইনপেমেন্ট সার্ভিস বীমা খাতকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করছে। সমস্যাটি হচ্ছে, অনেকে বীমা বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখে। যদিও বীমা একটি আর্থিক খাত।

Photo

ব্যাংকের মতোই বীমাতেও সেবার বিষয়টি জড়িত। অনলাইন লেনদেনের আগ পর্যন্ত গ্রাহকের জন্য বীমা পলিসি করা ও পেমেন্ট জমা দেয়া বড় ধরনের চ্যালঞ্জ ছিল। কেননা এজেন্টকে গ্রাহকের কাছে যেতে ও পেমেন্ট সংগ্রহ করতে হতো। অনেক সময় গ্রাহকের অভিযোগ কোম্পানি পর্যন্ত পৌঁছত না। বর্তমানে অ্যাপ বা কার্ডের মাধ্যমেই গ্রাহক তার পেমেন্ট জমা দিতে পারছেন। ঘরে বসে দেখতে পারছেন কতটা প্রিমিয়াম ও বোনাস জমা হয়েছে ইত্যাদি। সব মিলিয়ে এক ধরনের স্বচ্ছতা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বীমা খাত ঘিরে আমি খুবই আশাবাদী।


-- ব্লগার মাহমুদুল ইসলাম এর অন্যান্য পোস্টঃ --
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
6 3 5 4
আজকের প্রিয় পাঠক
2 7 6 6 1 3 0 2
মোট পাঠক