• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ বৃহস্পতিবার | ২১ জানুয়ারী, ২০২১ | ৭ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

Photo
বঙ্গবন্ধু আশার আলো-বীমা দাবি নিষ্পত্তির প্রয়াস অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ১০ কোটি টাকা বীমা দাবি পরিশোধ করা হয়

ড. এম মোশাররফ হোসেন বলেন, বীমাখাতে ডিজিটাইজেশনকে গুরুত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে। আর এই ডিজিটাইজেশনকে গুরুত্ব দেয়ার কারণেই বিশ্বের সব থেকে দ্রুততম ইকোনমি বলা হয় বাংলাদেশকে। বীমাখাতে বেশ কিছু ডিজিটাইজেশনের চেষ্টা চলছে। ইকেওয়াইসি, ই-রিসিপ্ট এগুলো বীমাখাতকে অনেকটা সহযোগিতা করে।

তিনি বলেন, ই-রিসিপ্ট বাস্তবায়ন হলে পেপারলেস কার্যক্রম হবে। অনেক সময় গ্রাহক রিসিট হারিয়ে ফেলে, সে সময় এটা জমা দিতে পারে না। যার ফলে বীমা দাবি নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। ই-রিসিপ্ট হলে আমরা অনেক দিক থেকে সুবিধা পাবো। ফলে ব্যয় হ্রাস পাবে।

আগামী ১ মার্চ থেকে বীমাখাতে ই-রিসিট চালু হবে বলে জানিয়েছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন। আজ বুধবার ‘বঙ্গবন্ধু আশার আলো-বীমা দাবি নিষ্পত্তির প্রয়াস’ নামে অনলাইন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লাইফ বীমা গ্রাহকদের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, প্রতি বছর বীমা গ্রাহকদের জন্য প্রায় ৫ কোটি পেপার (প্রিমিয়াম রিসিট) তৈরি করতে হয়। ই-রিসিপ্ট চালু হলে এই ৫ কোটি রিসিপ্ট আর লাগবে না। তাহলে কুরিয়ার খরচ কমে যাবে। লোকবলও কম লাগবে। আগামী ১ মার্চ থেকে বীমাখাতে এটা শুরু হবে।

‘বঙ্গবন্ধু আশার আলো-বীমা দাবি নিষ্পত্তির প্রয়াস’ অনুষ্ঠানের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বুধবার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। আপনাদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সেই বুধবারকেই বেছে নেয়া হয়েছে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রতিমাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বুধবার এ বীমা দাবি পরিশোধ করা হবে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০০ জনকে ১০ কোটি টাকা প্রদান করা হবে বলে তথ্য পাওয়া যায়।


-- ব্লগার Admin Post এর অন্যান্য পোস্টঃ --
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
5 0 7 6
আজকের প্রিয় পাঠক
3 0 2 6 3 4 0 9
মোট পাঠক