• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ শনিবার | ১৭ এপ্রিল, ২০২১ | ৪ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

Photo
বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা

(জাতির মেরুদন্ড বিনির্মাণে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও আইডিআরএ এর একটি অনবদ্য প্রয়াস)

‘‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড’’ এই উক্তিটি অনস্বীকার্য। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি সভ্য ও উন্নত। শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে ফ্রান্সের মহা সমর নায়ক Napaleon Bonaparte বলেছিলেন, আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব। সমর নায়কের এ মহাবাণীর মর্মার্থ সব রাষ্ট্রই উপলব্ধি করে আর শিক্ষার পেছনে ছুটে। এ সত্যতা পরিমেয় হবে যদি আমরা বিনিয়োগ সংক্রান্ত গবেষণা পর্যালোচনা করি অর্থাৎ বিনিয়োগ সম্পর্কিত গবেষণায় দেখা যায় যে, পৃথিবীতে যত ধরণের বিনিয়োগ খাত রয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা খাত বা শিক্ষায় বিনিয়োগই সবচেয়ে লাভজনক এবং উত্তম। ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দেশ বাংলাদেশ এ নীতির বাইরে নয়। তবুও বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী শুরুতেই পড়ালেখা ছেড়ে দিচেছ কিংবা পড়ালেখায় অনিশ্চয়তা ও বাধার সৃষ্টি হচেছ। মূলকারণ অর্থের অভাব। আর এ অর্থাভাবের অন্যতম কারণ হল শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/আইনগত অভিভাবকের অকাল মৃত্যু বা অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনায় পঙ্গুত্ববরণ। শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/আইনগত অভিভাবকের অকাল মৃত্যুতে বা অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনায়
শিক্ষার্থীর পড়ালেখা যেন বন্ধ না হয় বা অনিশ্চিত হয়ে না পড়ে কিংবা কোন ধরণের প্রতিবন্ধকতা তৈরী না হয়, তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও আইডিআরএ এর একটি অনবদ্য প্রয়াস হল বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ:

বীমাবৃত ব্যক্তিঃ পিতা/ মাতা/ আইনগত অভিভাবক ( যেকোন একজন বীমাবৃত হবেন)।

বয়সঃ শিশু শিক্ষার্থীর জন্য ন্যুনতম বয়স ৩ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৭ বছর। পিতা/ মাতা/ আইনগত অভিভাবকের ক্ষেত্রে ন্যুনতম বয়স ২৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬৪ বছর। নিকটতম জন্মদিন অনুযায়ী বয়স নির্ধারিত হবে।

মেয়াদঃ পলিসির মেয়াদ শিশুর বয়সের সাথে সম্পর্কিত। এক্ষেত্রে শিশুর ১৮ তম জন্মদিনে পলিসির মেয়াদ শেষ হবে। সুতরাং শিশুর বয়স সর্বনিম্ন ৩ বছর হলে বীমার সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১৮-৩=১৫ বছর এবং শিশুর বয়স সর্বোচ্চ ১৭ বছর হলে বীমার সর্বনিম্ন মেয়াদ হবে ১৮-১৭=১ বছর।

বীমার সুবিধাসমূহঃ পলিসি মেয়াদের মধ্যে পিতা/ মাতা/ আইনগত অভিভাবক-এর মৃত্যুতে অথবা দূর্ঘটনাজনিত সম্পূর্ণ এবং স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে অথবা পঙ্গু হলে পলিসির অবশিষ্ট মেয়াদে প্রতি মাসে ৫,০০/- (পাঁচশত) টাকা হারে এ বীমার আওতায় শিশুকে বৃত্তি হিসাবে প্রদান করা হবে। বীমাবৃত ব্যক্তি যে মাসে মৃত্যুবরণ করবেন, সেই মাসের শেষে বৃত্তি প্রদান শুরু হবে এবং শিশুর ১৮তম জন্ম তারিখে শেষ হবে। তবে শর্ত থাকে যে, দূর্ঘটনাজনিত কারণে সম্পূর্ণ এবং স্থায়ী অক্ষম হলে অথবা পঙ্গু হলে জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত ডাক্তার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপ্রাপ্তি সাপেক্ষে মাসের শেষে বৃত্তি প্রদান শুরু হবে।

দূর্ঘটনাজনিত সম্পূর্ণ এবং স্থায়ী অক্ষমতা/ পঙ্গুত্ব Accidental Permanent and Total Disability (APTD)-এর সংজ্ঞাঃ স্থায়ী বা সম্পূর্ণ অক্ষমতা হল অনুমোদিত ডাক্তার কর্তৃক প্রত্যায়নকৃত শারীরিক আঘাত যা কোন ব্যক্তিকে কোন ব্যবসা পরিচালনা বা কোন কাজ বা কোন পেশায়যুক্ত হতে বাধাগ্রস্ত করে যেখান থেকে তিনি পারিতোষিক বা মুনাফা হতে বঞ্চিত হবেন। অপরদিকে উভয় চক্ষুর দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়া, কব্জির উপর থেকে উভয় হাত কাটা/খোয়া যাওয়া (Loss), গোড়ালির উপর থেকে উভয় পা কাটা/খোয়া যাওয়া (Loss), কব্জির উপর থেকে এক হাত এবং গোড়ালির উপর থেকে এক পা কাটা/খোয়া যাওয়া (Loss), এক চক্ষু এবং কব্জির উপর থেকে এক হাত নষ্ট/কাটা/খোয়া যাওয়া (Loss), এক চক্ষু এবং গোড়ালীর উপর থেকে এক পা নষ্ট/কাটা/খোয়া যাওয়া (Loss) ইত্যাদি সম্পূর্ণ এবং অপরিবর্তনীয় ক্ষতি, যা APTD হিসাবে গণ্য হবে।

প্রিমিয়াম হারঃ বীমাবৃত ব্যক্তির বার্ষিক প্রিমিয়াম হার ৮৫ (পঁচাশি) টাকা।


-- ব্লগার Admin Post এর অন্যান্য পোস্টঃ --
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
1 8 5 4 9
আজকের প্রিয় পাঠক
3 2 8 9 1 4 2 7
মোট পাঠক