• বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বীমা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আজ সোমবার | ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সময়ঃ ০৭:১৩ অপরাহ্ন

Photo
বীমা কোম্পানির সম্পদের ৬০ শতাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের উদ্যোগ

দেশের বীমা কোম্পানিগুলোকে আরো একটি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। আগামীতে বীমা কোম্পানিগুলো তাদের নিজস্ব সম্পদের সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে এ সুযোগ দেয়া হবে কেবল লাইফ বা জীবন বীমা কোম্পানিগুলোকে। এ রকম বিধান রেখে ‘লাইফ বীমাকারীর সম্পদ বিনিয়োগ ও সংরক্ষণ প্রবিধানমালা ২০১৮’ তৈরি করছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বিধিমালায় বলা হয়ছে, বীমা কোম্পানিগুলো সম্পদ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৩০ এবং সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে পারবে। সরকারের গ্যারান্টিযুক্ত ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ইস্যুকৃত বন্ড এবং অনান্য বন্ডে সম্পদের ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে তার জন্য সরকার অনুমোদিত রেটিং সংস্থার অনুমোদিত হতে হবে।
বন্ডের পাশাপাশি সরকার অনুমোদিত সিকিউরিটিজ ও ডিবেঞ্চারে জীবন বীমা কোম্পানির মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে একক কোম্পানিতে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে।
এ বিধিমালায়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়েছে মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ। আর পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ। পাশাপাশি সাধারণ শেয়ার বা অগ্রাধিকার শেয়ার উভয় মিলে মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে শর্ত দেয়া হয়েছে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোনো শেয়ারে বিনিয়োগ করা যাবে না।
একই সাথে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন এলাকায় অথবা কোনো পৌরসভায় দায়হীন সম্পত্তিতে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিনিয়োগ করার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধকীকৃত স্থাবর সম্পত্তি, দাফতরিক বা দোকান হিসেবে ব্যবহৃত অথবা লিজকৃত সম্পত্তিতে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে তার জন্য লিজের মেয়াদ ৩০ বছরের বেশি থাকার শর্ত দেয়া হয়েছে।
অন্য দিকে বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তফসিলি ব্যাংকে বীমা কোম্পানিগুলো সম্পদের সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশের আমানত গচ্ছিত রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে একক কোনো ব্যাংকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ আমানত রাখাতে পারবে। ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী সম্পদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে একক কোনো কোম্পানিতে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ বিনিয়োগ করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে তার জন্য সরকার অনুমোদিত ‘এ’ ক্যাটাগরির রেটিং সংস্থা দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ইউনিটে সম্পদের ২০ শতাংশ এবং সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ২০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারার নিয়ম রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও বীমা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইডিআরএ এর শর্তসাপেক্ষে অনুমোদিত অন্যান্য খাতে সম্পদের ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার বিধান রাখা হয়েছে।
বিধিমালায় আরো বলা হয়, আইডিআরএ প্রয়োজনে যেকোনো সময়ে জীবন বীমা কোম্পানির সম্পদ পরিদর্শন করতে পারবে। কর্তৃপক্ষের যেকোনো চাহিদা অনুসারে তথ্যাদি দিতে বাধ্য থাকিবে। কোনো বীমা কোম্পানি প্রবিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে বীমা আইন ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা গেছে, চূড়ান্ত করার পর এই বিধিমালার গেজেট শিগগিরই জারি করা হবে। সূত্রঃ নয়া দিগন্ত



ব্লগটির ক্যাটাগরিঃ সাম্প্রতিক খবর , বীমা সংবাদ

-- ব্লগার দেলোয়ার হোসেন এর অন্যান্য পোস্টঃ --
আমার সম্পর্কে
  • সর্বশেষ ব্লগ
  • জনপ্রিয় ব্লগ
3 3 0 3 0
আজকের প্রিয় পাঠক
1 1 8 2 9 5 4 6
মোট পাঠক